রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

ডুমুরিয়ার অফসিজন তরমুজ ও শিম চাষ দেখে আমি অবাক-কৃষিমন্ত্রী

এস রফিক, ডুমুরিয়া :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১ বার পড়া হয়েছে

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় মৎস্য ঘেরের আইলে অফসিজন তরমুজ ও শিম চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (এমপি) বলেন,এক সময় কৃসি কাজ ছিল অবহেলিত,দেশে আশ্বিন-কার্ত্তিক মাস এলেই খাদ্যের অভাবে মানুষ কচু-ঘেঁছু খেয়ে জীবন বাঁচাতো,বিষয়টি আমলে নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খাদ্য ঘাটতি ঘুচাতে কৃষির উপরে অনেক গুরুত্ব দেয়।অনুরুপ ভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ,এদেশের মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকে না।কৃষক এখন আর এ গালি নয় অনেক সম্মানের,অনেক মর্যাদার।তিনি আরও বলেন,দেশের এক চতর্থাংশ ভূমি উপকূলীয় অঞ্চলে।তাই এ লবনাক্ত অঞ্চলে বাংলাদেশ কৃষি অধিদপ্তর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।তিনি তার বক্তব্যে আরও বলেন,ডুমুরিয়া অঞ্চলে অফসিজনে শিম,তরমুজ ও অন্যান্য সবজির বাম্পার ফলন দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি।কৃষকদের উৎপাদিত ফসল যেন সঠিক ভাবে বাজারজাত হয় সেদিকে কড়া নজরদারি ও খুলনা এলাকায় কৃষি অধিদপ্তরের সর্বদা নজর থাকবে বলে তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন।ডুমুরিয়ায় ২‘শ ৬০ হেক্টর জমিতে তরমুজ,২‘শ ৫৮ হেক্টর জমিতে শিমসহ ২ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে বিভন্ন সবজির আবাদের মধ্যদিয়ে কৃষি বিপ্লব ঘটেছে।গতকাল রবিবার সকালে উপজেলার বরাতিয়া প্রাইমারী স্কুল মাঠে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আয়োজিত কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সঞ্চালকের বক্তব্যে কৃষি অফিসার মোসাদ্দেক হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরেন।কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর’র মহা-পরিচালক মোঃ আসাদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন খুলনা-৫ সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম।স্বাগত বক্তব্যদেন জেলা সম্প্রসারন কর্মকর্তা জিএমএ গফুর,কৃষকদের পক্ষে মোঃ আবু হানিফ মোড়ল ও পংকজ কুন্ডু।এর আগে মন্ত্রী সরেজমিনে গিয়ে খর্ণিয়ায় শিম ক্ষেত,কুলবাড়িয়ায় তরমুজ ক্ষেত ও আটলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রতাপ কুমার রায়ের ১ হাজার তালের বীজ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন....

এ বিভাগের আরো সংবাদ